খেসারি চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ঃ চাহিদা থাকা সত্বেও উপজেলায় খেসারি ডাল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষকরা। এক যুগ আগেও খেসারি ডাল উৎপাদনে উপজেলার বেশ সুনাম ছিল। গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষ এক সময় প্রতি দিনের খাবারে অংশ হিসেবে খেসারি ডাল খেতেন। খেসারির ছাতু ভাতের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হতো।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় খেসারির চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৫০ হেক্টর জমিতে। অর্জিত হয়েছে ৬০০ হেক্টর জমিতে।হোসেনপুর ইউনিয়ানের করতোয়া পাড়া গ্রামের কৃষক সৈয়দ শেখ জানান, এখন থেকে ১০ বছর আগে ৫-৬ বিঘা জমিতে খেসারির চাষ করতাম। এখন এক থেকে দুই বিঘা জমিতে খেসারির চাষ করি। এমন অবস্থা উপজেলাব্যাপী।পরিবেশবাদীরা বলছেন, গ্রীণ হাউজ এ্যাফেক্ট এর কারণে আগামীতে বিনা চাষের ফসলের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। যাতে পরিবেশে ক্ষতিকর তেমন কোনো প্রভাব না পড়ে। সেই দিক দিয়ে খেসারির ডাল অন্যতম। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে বিনা চাষ ও সার ওষুধ ছাড়াই এই ফসলটির উৎপাদন করা সম্ভব।পলাশবাড়ী কৃষিকর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান, আমরা কৃষকদের খেসারি চাষে উদ্বুদ্ধ করতে নানামুখি পদক্ষেপ নিয়েছি। খেসারির রোগ বালাই কম। চাষীরা যাতে খেসারী চাষে আগ্রহী হয় সে বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তারা চাষীদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।তিনি আরও বলেন, প্রতি ১০০ গ্রাম খেসারি ডালে খাদ্যশক্তি ৩২৭ ক্যালোরি, আমিষ ২২.৯ গ্রাম চর্বি ০.৭ গ্রাম শর্করা, ৫৫.৭ গ্রাম ক্যালসিয়াম, ৯০ মিলিগ্রাট ফসফরাস ৩১৭ মিলিগ্রাম এবং লোহা ৬.৩ মিলি গ্রাম বিদ্যমান।ছবি ০২

Leave a Comment